A BILINGUAL ONLINE LITERARY MAGAZINE

স্মৃতির অলিন্দে সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম

স্মৃতির অলিন্দে সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম


বর্ষাদুপরের ঝরো ঝরো বৃষ্টির দিনে কথাসাহিত্যিক অধ্যাপক সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম (১৯৫১-২০২৫) শুয়ে আছেন চিরবিদায় মঞ্চে, কালো কফিনে আবৃত হয়ে। তিনি তাঁর ধানমন্ডির বাসা যা আমাদের জন্য ছিল বিদ্যাগৃহতুল্য, সেই তীর্থ থেকে নয়, এসেছেন ল্যাবএইড হাসপাতালের হিমঘর থেকে। আচমকা তিনি হাসপাতালে যেতে বাধ্য হয়েছিলেন দেহঘড়ি বৈকল্যের কারণে। মাত্র কয়েকদিন যুদ্ধ করেই তিনি পরাস্ত হয়েছিলেন নিয়তির কাছে। এই কথাকার লেখায় ও বলায় প্রাণবান ছিলেন চুয়াত্তর বছরের জীবনে, এইলগ্নে পুষ্প স্তবকে ঢেকে আছে তার নিথর দেহ। দৃশ্যটি আমার কাছে ছিল এক চরম অসহায় মুহূর্ত!


টানা বর্ষণে শহিদমিনারের ইটের পলেস্তরায় জমেছে কয়েক ইঞ্চি পানি। জলমগ্ন হয়ে অদূরে দাঁড়িয়ে শুধু ভাবছি, একি কেবল এক মানুষের মৃত্যু! নাকি পৃথিবীর এক প্রকৃত বাসিন্দার বিদায়! এক জীবনের যতি! শহিদ মিনারে উপস্থিত মানুষগুলোগুলো, যারা তাঁকে বিদায় জানানো জন্য নিশ্চল দাড়িয়ে আছেন, সৈয়দ মনজুর তাঁর মনীষা ও সৃজনী দিয়ে মোহাবিষ্ট করে রেখেছিলেন তিনি। তাঁর নন্দন, সৃজন কিংবা প্রাণে-প্রাণে বিদ্যার আলোকদ্যুতি বিস্তারের মধ্যে দিয়ে যে জীবন তিনি যাপন করেছেন, সেটি এক মহাজীবন। তাঁর এই মহাজীবনের সঙ্গে আমার কিছু সময় যোগ হয়েছিল, সেই স্মৃতি বারবার উঁকি দিয়ে অশ্রুসিক্ত করে তুলছিল মনকে। আহা, কত স্মৃতি!


নিউইয়র্কের ইয়র্ক কলেজে একসঙ্গে সেমিনারে যোগ দিয়েছি, ওই শহরে একাধিক আড্ডায় বসেছি। শুনেছি তাঁর বয়ান। দৃষ্টিসম্পন্ন মানুষ যখন ভ্রমণ করে তখন তাঁর বয়ান ও ভাষ্যে পরিস্ফূট হয় তাঁর সত্তা ও বোধ। জাতীয়তা ও আর্ন্তজাতিকতা বা একবিশ্বের  নানা বৈচিত্র্যের সাংস্কৃতিক ব্যাখা তাঁর মুখ থেকে শুনেছি। মনজুুরুই ইসলাম বহু পরিচয় নির্মাণ করেছেন এক জীবনে। তাঁর চিন্তার সঙ্গে কমবেশি পরিচয় আছে অনেকেরই। আমি দু একটি স্মৃতি তর্পণ করব এই লেখায়। এখানে এক মজার স্মৃতি বলি। সত্যজিৎ রায় যখন ছোটো ছিলাম গ্রন্থে আইসক্রিম খাওয়া নিয়ে এক মজার ঘটনা লিখেছিলেন, সৈয়দ মনজুরুল ইসলামের এ রকম এক স্মৃতির স্বাক্ষী হয়েছি স্বয়ং।


২০০৭ সালে তিনি আন্তর্জাতিক সিলেট উৎসবে ‘বাংলা সাহিত্যে সিলেট অঞ্চলে সাহিত্যিকদের অবদান’ শীর্ষক এক সেমিনারে মুখ্য বক্তা, একই প্রটোকলে আমি ছিলাম সিলেটি নাগরীলিপি বিষয়ক সেমিনারে। দুদিনের উৎসবের প্রথম দিন সকাল ১০টায় জ্যামাইকা শহরের উৎসবস্থলে পৌঁছে গিয়েছিলাম সকাল দশটায়। এতো বড়ো একটি ইভেন্টের যে সুচারু সাংগঠনিক দক্ষতা দরকার ছিল, সেটা ছিল প্রায় অনুপস্থিত। বিদেশ বিভূইয়ে এই পরিস্থিতিতে আয়োজকরা একবারে ছিলেন অসহায়। মনজুরুল ইসলাম বা অন্য সেমিনার অতিথিদের স্বাগত জানানোর সময়ই তারা বের করতে পারেননি। ইয়র্ক কলেজের সবুজ মাঠে প্রথম আলো উত্তর আমেরিকার একটি ট্যান্ট বসেছিল। ওখানেই জমানো আড্ডা হচ্ছে। প্রাবন্ধিক আহমাদ মাজহার, সাংবাদিক ইব্রাহিম চৌধুরী খোকন, মুক্তধারা বিশ্বজিৎ সাহা, সংবাদপাঠিকা আসমা আহমেদ মাসুদ গল্পে মত্ত। সৈয়দ মনজুর ওখানেই বসলেন, তাঁকে ঘিরে আড্ডা প্রবাহিত হলো বানের মতো। বাংলাদেশে এরকম ক্ষেত্রে জলপানের যে আয়োজন থাকে বিদেশের কঠিন বাস্তবতায় সেটা থাকবে না বা ছিল না, সেটাই স্বাভাবিক মনে করেছি আমরা। এই আড্ডার ফাঁকে আমি ওঠে ঘুরছি মাঠে, এর ওর সঙ্গে দেখা হচ্ছে, উৎসবের মজাই তো এগুলো। মনজুরুল ইসলাম একচুলও নড়েনি ওখান থেকে। মধ্যাহ্নভোজের সময়, আমি ফের প্রথম আলোর তাবুতে এসে দেখি তিনি প্রায় একাই বসে আছেন। এ সময় আমেরিকাবাসী সৈয়দ নিজামুল হক শাকিল এসে বসলেন। শাকিল আমার গ্রামের ছেলে, প্রায় সমবয়স তার, সংস্কৃতি অনুরাগী। শাকিল ব্যস্ত হয়ে পড়লেন কিছু খাওয়াবেন আমাদের। আইসক্রিম আনতে গেলেন, ফিরলেন যে সংখ্যক আইসক্রিম হাতে নিয়ে সেখানে মানুষের চেয়ে ছিল সংখ্যায় একটি বেশি। মনজুরুল ইসলাম সেটি তাঁর জন্য চেয়ে বসলেন। হাসতে বললেন, আমি ক্ষুধার্ত, পেটের জবালা যদি নিবৃত হয়! ওখান থেকে তাঁকে ফিরলাম আমার আত্মীয় ব্যবসায়ী মোস্তফা কামালের বাসায়। মধ্যাহ্ন ভোজের পর তিনি বাঙালি সংষ্কৃতি নিয়ে নানা কথা বললেন, অলস দুপুর এই বিকেল হয়ে ওঠেছিল এক সেমিনারের মতো।


সৈয়দ মনজুরের মানস তৈরি করেছে তাঁর পারিবারিক মন্ডল ও প্রতিবেশ। এমন এক পরিবারে তাঁর জন্ম যেখানে জন্মেছেন কালজয়ী সাহিত্যিক সৈয়দ মুজতবা আলী। এই পরিবারে সাহিত্যসংষ্কৃতি চর্চা কেবল মুজতবায় সীমাবদ্ধ ছিল না, পুরো পরিবারই ছিল এই এক বন্ধনী। তাঁর নানি সৈয়দ হবিবুন্নেছা সিলেটের নারীদের মধ্যে প্রথম প্রজন্মের কবি, এই নারীর অন্য ভাই সৈয়দ মুর্তাজা ও সৈয়দ মুজতবা। এই পরিবারের প্রজন্ম সৈয়দ মনজুর উচ্চশিক্ষার জন্য কানাডার কুইন্স বিশ্ববিদ্যালয়ে যান। তাঁর গবেষণার বিষয় ছিল আইরিশ কবি ডব্লিউ বি ইয়েটসের কবিতায় ইমানুয়েল সুইডেনবার্গের দর্শনের প্রভাব। এই গবেষণাসূত্রেই পশ্চিমা সাহিত্য, সাহিত্যতত্ত্ব ও দর্শনের সঙ্গে পরিচয় হয়। তাঁর পাঠ ও চিন্তা যুক্ত আর্ন্তজাতিকতা। ফলে তাঁর সাহিত্যচিন্তায় দেশীয় অভিজ্ঞতা ও আন্তর্জাতিক সাহিত্যভাবনার একটি স্বাভাবিক সমন্বয় তৈরি হয়েছিল। তবে তিনি কখনো কেবল পাশ্চাত্য সাহিত্যভাবনার অনুসারী হয়ে থাকেননি। বরং বিশ্বসাহিত্যের নানা ধারণাকে বাংলাদেশের নিজস্ব সমাজ, ইতিহাস ও সংস্কৃতির সঙ্গে মিলিয়ে দেখেছেন।


সৈয়দ মনজুরুল ইসলামের কাছে শিক্ষকতা ছিল না, নিছক পাঠদান বা পাঠ্যসূচি পড়ানোর কাজ। তিনি শিক্ষকতাকে তাঁর জীবনের ব্রত হিসেবে নিয়েছিলেন, ধানমন্ডি থেকে বোট ক্লাবে এক প্রোগ্রামে যেতে যেতে একই গাড়িতে বসে শুনেছিলাম এই কথাগুলো। তিনি বলেছিলেন, শিক্ষক থাকতে চেয়েছি বলেই প্রশাসকের বহু পদায়নকে আমি গ্রহণ করিনি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অবসর নেওয়ার পরও তিনি অর্থের জন্য কোনো কর্পোরেটে যাননি, শিক্ষকতায় থেকেছেন, ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ এবং ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে ‘ইমেরিটাস অধ্যাপক’ হিসেবে সম্মানিত করে ২০২৩ সালে। তাঁর জ্ঞান, রসবোধ, সাবলীল ভাষা এবং উদার মানসিকতার এক বিরল মানুষে তৈরি করেছিল তাঁকে। বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভাষায় তাঁর অসামান্য দখল ছিল তাঁর। যখন সাক্ষাৎ হয়েছে তাঁর সঙ্গে শিল্পকলা, সংগীত ও চলচ্চিত্র বিষয়ে গভীর জ্ঞান ও পা-িত্যের দ্যুতি দেখেছি।


শিল্পকলা ও নন্দন তত্ত্বের বিশ্লেষণে তিনি ছিলেন অনন্য বাখ্যাকার, এ ক্ষেত্রে ছিল অসাধারণ জানাশোনা। সাহিত্য কী, শিল্পের সৌন্দর্য কোথায়, পাঠক কীভাবে সাহিত্যকে গ্রহণ করে এসব প্রশ্ন নিয়েও তিনি গভীরভাবে চিন্তা করেছেন। নন্দনতত্ত্ব তাঁর সাহিত্যচিন্তার একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিচয় বহন করে। নন্দন তত্ত্ব নিয়ে বই ও মূল্যাবান প্রবন্ধ লিখেছেন তিনি। সৈয়দ মনজুরুল ইসলামের কণ্ঠ ছিল অনুচ্চ ও মার্জিত। কতভাবেই তিনি সাহিত্য সংস্কৃতি সেবা করেছেন। তাঁর মননশীল প্রবন্ধ পাঠককে চিন্তার রসদ যুগিয়েছে। তাঁর প্রবন্ধে একদিকে যেমন তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ রয়েছে, অন্যদিকে তেমনি রয়েছে সহজ ভাষায় জটিল বিষয় ব্যাখ্যা করার ক্ষমতা।


সৈয়দ মনজুরুল ইসলামের কথাসাহিত্য সৃষ্টি করেছে এক স্বতন্ত্র নান্দনিক ভূখ-। কথাসাহিত্যিক, প্রাবন্ধিক, সাহিত্যসমালোচক, অনুবাদক, কলাম লেখক ও শিক্ষাবিদ ইত্যাদি নানা অভিধা থাকলেও মূলত গল্পকার হিসেবেই তিনি বাংলা সাহিত্যে খ্যাত হবেন, তাঁর সাহিত্যপথ প্রচলিত ধারার বাইরে, অনেকটাই স্বনির্মিত পথে হেটেছেন তিনি। তিনি গল্পকে শুধু ঘটনা বলার মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করেননি; বরং মানুষের মনস্তত্ত্ব, স্মৃতি, বাস্তবতা, কল্পনা ও সামাজিক অভিজ্ঞতা উপস্থাপিত হয়েছে তাঁর রচনায়। বাস্তব ও অবাস্তবের সীমারেখা তাঁর গল্পে অনেক সময় ইচ্ছাকৃতভাবেই অস্পষ্ট হয়ে যায়। এই বৈশিষ্ট্য তাঁকে বাংলা কথাসাহিত্যের উত্তরাধুনিক ধারার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ লেখক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। সৈয়দ মনজুরুল ইসলামের গল্পের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো অতি সাধারণ জীবনের ভেতর থেকে অসাধারণ অভিজ্ঞতা আবিষ্কার করা। তাঁর গল্পে মানুষ কখনো বাস্তব জগতের চরিত্র, আবার কখনো যেন স্বপ্ন, স্মৃতি ও কল্পনার মধ্যবর্তী কোনো জগতে অবস্থান করে। এছাড়া তাঁর সাহিত্যকর্মে মানুষের অস্তিত্ব, সম্পর্ক, সমাজ ও সময়ের নানা জটিলতা নানা আঙ্গিকে প্রকাশ পেয়েছে। তাঁর উল্লেখযোগ্য গল্পগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে থাকা না থাকার গল্প, কাচ ভাঙা রাতের গল্প, অন্ধকার ও আলো দেখার গল্প এবং প্রেম ও প্রার্থনার গল্প।


সৈয়দ মনজুরের আধখানা মানুষ, দিনরাত্রিগুলি, আজগুবি রাত এবং তিন পর্বের জীবন তাঁর উল্লেখযোগ্য উপন্যাস। ব্যক্তি ও সমাজের সম্পর্ক, মানুষের অস্তিত্বের সংকট, সময়ের পরিবর্তন এবং কল্পনার নানা স্তর একে অপরের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে তাঁর উপন্যাসে। নির্দিষ্ট দশকের প্রচলিত সাহিত্যিক কাঠামোর মধ্যে সহজে আবদ্ধ করা যায় না তাঁকে। বরং তাঁর রচনায় একটি স্বাধীন স্বর রয়েছে। বাংলা কথাসাহিত্যের মূলধারায় থেকেও তাই তিনি একই সঙ্গে স্বতন্ত্র।


সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম ছিলেন নাগরিক বুদ্ধিজীবী। বাংলাদেশের শিক্ষা, সংস্কৃতি, রাজনীতি ও সামাজিক বাস্তবতা নিয়ে তিনি নিয়মিত জাতীয় দৈনিকগুলোতে তাঁর কলাম প্রকাশিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বায়ত্তশাসন, উচ্চশিক্ষার মান এবং শিক্ষার সুযোগের বৈষম্য নিয়েও তিনি সোচ্চার ছিলেন। মাত্র কয়েক বছর আগে তাঁর একটি বক্তব্য আমাদের চিন্তার অচলায়তেন মেরেছিল ঘা। তিনি বলেছিলেন, চারদিকে শুধুই প্রশাসক। যেন প্রশাসক ছাড়া আর কোনো লক্ষ নাই। তাঁর সঙ্গে টেলিফোনে কথা হলে সমকালের নানা বাস্তবতা নিয়ে কথা বলেছেন। তিনি অনেক বিষয়েই ছিলেন সংক্ষুব্দ, কিন্তু তাঁর প্রকাশে তিনি ছিলেন নমনীয়। প্রেম চেয়েছেন তিনি, মানুষের জন্য সুন্দর একটি সমাজের জন্য সরব ছিলেন এই কথাসাহিত্যিক। বিশেষত তরুণ প্রজন্মের শিক্ষা ও ভবিষ্যৎ নিয়ে তাঁর আগ্রহ ছিল গভীর। তিনি বিশ্বাস করতেন, একটি দেশের সামাজিক অগ্রগতি নির্ভর করে তার শিক্ষাব্যবস্থার মান এবং মানুষের চিন্তার স্বাধীনতার ওপর। তিনি তাঁর রচনায় দেখিয়েছেন যে গল্প একই সঙ্গে বাস্তব ও কল্পনার হতে পারে। একজন শিক্ষক একই সঙ্গে কীভাবে গবেষক ও সৃজনশীল লেখক হতে পারেন; একজন সাহিত্যিক একই সঙ্গে সমাজের বিবেকের কণ্ঠ হয়ে উঠতে পারেন সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম সেই উদাহরণ তৈরি করে গেছেন।


সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম এমন এক সময়ে সাহিত্যচর্চা করেছেন, যখন বাংলাদেশের সমাজ ও সংস্কৃতি দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছিল। সেই পরিবর্তনের ভেতর থেকে তিনি মানুষের ব্যক্তিগত জীবন, সামাজিক সম্পর্ক, নৈতিক দ্বন্দ্ব এবং অস্তিত্বের নানা প্রশ্নকে সাহিত্যে রূপ দিয়েছেন। তাঁর লেখার ভাষা ছিল পরিশীলিত, কিন্তু তার ভেতরে ছিল রসবোধ ও জীবনের প্রতি গভীর মমতা।


সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম এক পূর্ণ মানুষ, আধখানা নয়। যাপনের জীবনকে কতো সুন্দর ও মনোহর করে উপস্থাপন করা যায়, তা তিনি আমাদেরকে উপহার দিয়েছেন। এমন মানুষই তো পৃথিবীর চাওয়া থাকে। প্রথম মৃত্যু বাষিকীতে এই মহৎ কথাসাহিত্যিকের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি।

Share on social media